• Bengali
  • English
  • Hindi

PIGEONS

পায়রা 

 

বুনো রক ডাভ একই গোত্রভুক্ত, যাকে এদের পূর্বসূরী বলা হয়। এরা সবথেকে প্রাচীন পোষ মানা পাখিদের মধ্যে অন্যতম পায়রা বা pigeon এর বিজ্ঞানসম্মত নাম Columba livia. এই পায়রাকে বাচ্চা অবস্থাতেই পুষলে এরা অতি সহজেই পোষ মানে পায়রা নিজেই মানুষের কাছে চলে আসে, কারণ, এরা ভীরু স্বভাবের প্রাণী তাই খাদ্য নিরাপত্তার জন্য মানুষের নিকট বসবাস করে। এই পায়রা পুরোপুরি খাদ্য নির্ভর থাকে শষ্যের উপর। কয়েকটি উল্লেখযোগ্য পায়রার প্রজাতি হলো:

 

ফেরাল রক পিজিয়ান: এর প্রধান রং নীল এবং আমরা একেই সর্বত্র দেখতে পাই যা মানুষের বসতির আশেপাশে  থাকে পায়রা পালন দুই ধরনের হয়:

1) শখের বা প্রদর্শনের জন্য।

2) খাদ্যের জন্য পায়রা পালন।

আমরা এখানে প্রদর্শনীর জন্য যে পায়রা পালন করি তার আলোচনা করব-

 

 

ব্যান্ড টেলড পিজিয়ান: এদের বৈশিষ্ট্য ধূসর রঙের ডোরাকাটা লেজ ও ঘাড়ের পেছনদিকটা রামধনুর রং -এর ছোপ এদের ঠোঁট এবং পা হলুদ রঙের আকারে এরা অপেক্ষাকৃত বড়। লম্বাতে ১৪ থেকে ১৮ ইঞ্চির হয় এই প্রজাতি উত্তর আমেরিকায় পাওয়া যায়।

 

 

•হোমিং পিজিয়ান: এদের দেহের রং প্রধানত নীল অথবা সাদা বা উভয় রঙের মিশ্রণ। এদের মাংসপেশি সুঠাম ও শক্তিশালী। এদের বিশেষ অনুষ্ঠানে পায়রা দৌড় বা নানা কসরত প্রদর্শন করতে ব্যবহার করা হয় এবং দৌড়ের পর এরা নিজের বাসায় ফিরে আসতে পারে

 

 

আফ্রিকান আউল পিজিয়ান: সৌন্দর্যের দিক থেকে এই পাখি মন মোহিত করে এদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল ধাতব জেল্লা যুক্ত পালক এবং উজ্জ্বল ঘন কালো রঙ চোখের মণির চারপাশে, লেজ পর্যন্ত বিস্তৃত ডানা, দেহ আকারে ছোট ওজন ৩১০ থেকে ৩৪০ গ্রামের মতো হয়

 

 

•ট্রাম্পেটার পিজিয়ান:  দের সুন্দর আওয়াজযা ঠিক মানুষের হাসির মতো লাগে।

 

 

কাপুচিনস পিজিয়ান: এই পায়রার অত্যন্ত অদ্ভুত দর্শন, মাথা ও কাধেঁর পালক দিয়ে তৈরি ঠিক যেন গোলাপের আচ্ছাদন এর মতো লাগে। যা সামনে থেকে দেখলে 'U'' আকারের মনে হয়।

 

 

বাসস্থান: বাড়ির ছাদে বা বাগানে একটু উঁচু স্থানে সারিতে অনেকগুলি খোপ করে স্তরে স্তরে সাজিয়ে রাখা যেতে পারে খোপ গুলি এমন ভাবে রাখতে হবে যাতে কোনো বনের জন্তু বা বিড়াল ইত্যাদি পায়রার নাগাল না পায়। এছাড়াও খোলা উঠোনে এই খাঁচা তৈরি করা যেতে পারে। খাঁচাটিতে যাতে বৃষ্টির জল না পড়ে তার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে মাটি থেকে দেড় ফুট উঁচুতে খাঁচার মেঝে হলে সব থেকে ভালো হয়। প্রত্যেকটা খোপের আকার পায়রার আকার ও ওজন তো ১০ থেকে ১২ ইঞ্চি চওড়া × ১০ থেকে ১২ ইঞ্চি উচ্চতা × ১০ থেকে ১৪ ইঞ্চি লম্বা হবে প্রত্যেকটি খোপের প্রবেশপথ ইঞ্চি × ইঞ্চি আকারে হবে এগুলি কাঠের বা টিনের হলে চলবে

        পায়রারা সাধারণত দাঁড়ে বসার থেকে সমতলে বসাই বেশি পছন্দ করে তাই এর জন্য দুটি কক্ষেই তাদের বসার জন্য ছোট-ছোট অনেকগুলি ব্র্যাকেট বেশি উপযুক্ত এর ফলে তাদের দখলদারির বা মারামারি সংক্রান্ত সমস্যার অনেকাংশে কমিয়ে রাখা যায়। এই ব্র্যাকেট গুলি একই উচ্চতায় থাকতে হবে তা না হলে সমস্যা হতে পারে। বাসার সামনে খাবারের পাত্র, গ্রিটের পাত্র, জলের পাত্র ও আলাদা করে স্নানের পাত্রে জলের পাত্র রাখা থাকবে। বাসার সামনে ৮ ইঞ্চি চওড়া প্লাটফর্ম থাকবে

 

 

 

খাবার বা খাদ্য: আগেই বলেছি পায়রার প্রধান এবং পছন্দের খাবার দানাশস্য ধান, গম, জোয়ার, বাজরা, বিভিন্ন গোটা ডালজাতীয় দানা, কচি ভুট্টা ইত্যাদি তবে ধান না দেওয়াই ভালো কারণ গলায় বেঁধে যেতে পারে। এছাড়াও আছে তৈলবীজ যেমন সরষে, সূর্যমুখীর দানা, তিল, তিসি, কুসুমদানা ইত্যাদি তবে এই জাতীয় খাবার বেশি না দেওয়াই ভালো। আর একটা কথা জেনে রাখা দরকার এদের শরীরে ভিটামিন সি উৎপাদন করতে পারে। তবে পায়রাকে সবুজ খাদ্য না দিলেও চলে।

 

 

প্রজনন: সাধারণত এই পায়রা প্রাপ্তবয়স্ক হতে সময় নেয় প্রায় ৫ থেকে ৬ মাস। স্ত্রী ও পুরুষ চেনা যায় তাদের ব্যবহার ও আচরণ দেখে। প্রজননের প্রথম পর্বে এরা জোড়া বাঁধেযেমন পুরুষ পায়রাটি গলা থেকে একটি খাবার উগরে স্ত্রী পাখিকে  খাইয়ে দেয় তখন মনে করতে হবে প্রজননের সময় এসেছে এটি মিলনের পূর্ব শর্ত। এরপর থেকে তারা বাসা তৈরি করে। পুরুষ পায়রাটি কাঠি, সুতো, কুটো ইত্যাদি বয়ে নিয়ে আসে ও স্ত্রী পায়রা সেগুলো দিয়ে বাসা তৈরি করে স্ত্রী পাখি ডিম পাড়া থেকে বাচ্চা তোলা সবই করে। স্ত্রী পায়রা প্রথম ডিম পাড়ে এবং তার প্রায় ৪৪ ঘন্টা পরে দ্বিতীয় ডিম পাড়ে। সাধারণত এক জোড়া ডিম পাড়ে এরপর উভয়েই ডিমে তা দেয় ১৭ - ১৮ দিনে ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়।এই সময় বাবা অর্ধপাচিত প্রোটিনসমৃদ্ধ ঘন তরল পদার্থ উগরে খাওয়ায় দশ দিন পরে দানাশস্য ও গ্রিট উগরে খাওয়াতে থাকে ক্রমশ পুরুষেরা বেশি দায়িত্ব নিতে থাকে। ১৫  দিন বয়সে বাচ্চা উড়তে সক্ষম হয়।

 

PIGEONS

Pigeon 

 

Wild Rock Dove belongs to the same genus as their predecessors. They are one of the oldest domesticated birds. The scientific name for the pigeon is Columba livia. If these pigeons are raised in their infancy, they are easily domesticated. Pigeons come to humans on their own, because they are timid animals. So, they live near people for food and security. These pigeons depend entirely on food grains. Some notable pigeon species are:

 

• Ferral Rock Pigeon: It's main color is blue and we see them everywhere nearby human locality. There are two types of pigeon rearing:

 1) For hobby or display.

 2) Raising pigeons for food.

 We will discuss here the pigeons that we keep for the exhibition - 

 

•Band Tailed Pigeon: They have gray striped tail and rainbow spots on the back of the neck. Their lips and legs are yellow in colour. They are relatively large in size. They are 14 to 16 inches in length. This species is found in North America. 

 

• Homing pigeons: Their body color is mainly blue or white or a mixture of both colors.  Their muscles are smooth and strong.  They are used to perform pigeon races or other exercises on special occasions and they can return home after the race. 

 

•African Owl Pigeon: This bird is captivating in terms of beauty. Their main features are metallic shell-shaped feathers and bright dense black color around the eyeballs, wings extending to the tail, they are small in body size. Weight varies from 310 to 340 grams.

 

•Trumpeter Pigeon: They have beautiful voice. Which just sounds like human laughter.

 

•Capuchin's Pigeon: This pigeon has a very strange sight, it's head and shoulder feathers are made of just like a rose cover. Which looks like  'U' shape when viewed from the front.

 

Nesting: The roof of the house or in the garden the nests can be arranged in rows in a little higher position. The nests should be kept in such a way that no forest animals or cats etc. can reach to the pigeons. This cage can also be made in the open yard. Appropriate measurement should be taken to prevent from falling rain water into the cage. It is best if the floor of the cage is one and a half feet above the ground.

        The size of each nest will be only 10 to 12 inches wide, 10 to 12 inches high and 10 to 14 inches long depending on the size and weight of the pigeon. The entrance to each nest should be 6 inches × 6 inches. Nests can be made by wood or tin.

         Pigeons usually prefer to sit on a plane rather than standing on a rod. So many small brackets are more suitable for them to sit in both the rooms. As a result, their occupying nature or fighting problems can be greatly reduced. This can be a problem if the brackets are at the same height. There should be food pots, grit pots, water pots and separate water pots in front of the nest. There will be a 6 inch wide platform in front of the house.

Food: I have already said that the main and favorite food of pigeons is cereals. Paddy, wheat, sorghum, buckwheat, various legumes, young maize etc. However, it is better not to give rice because it can be tied around the neck. There are also oilseeds such as mustard, sunflower seeds, sesame, linseed, lily seeds etc. However, it is better not to give more of this kind of food.  Another thing to know is that their body can produce vitamin C. However, even if the pigeon is not given green food.

 

Breeding: Usually this pigeon judgment takes about 5 to 6 months to become an adult. Male and female can be identified by their behavior and appearance.  In the first stage of breeding, they mate. Just like a male pigeon vomits a food from its throat and feeds a female bird, it is important to know that the time for breeding has come then. This is a prerequisite of mating. After that they start making nests. The male pigeon carries a stick, thread, tree branches etc., and the female pigeon builds a nest with them. The female does everything from laying eggs to raising chicks. The female lays her first egg and lays her second egg about 44 hours later. Usually they lay a pair of eggs. Then both of them lay on the eggs. The eggs hatch in 17-18 days. During this time, the father eats a thick liquid rich in half-digested protein and then vomit it.  After ten days, cereals and grits are eaten by vomiting. Gradually male birds become more responsible. At the age of 15 days the chicks are able to fly.

PIGEONS